মো. মিজানুর রহমান থাকেন রাজধানীর পল্লবী এলাকায়। কারওয়ান বাজারে বেসরকারি একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন তিনি। নিয়মিত বাসে যাতায়াত করলেও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে পরিবহন ধর্মঘটের কারণে তাকে যাতায়াত করতে হচ্ছে মোটরসাইকেল, রিকশায়। এতে যেখানে অফিস আসতে তার ৩০ থেকে ৪০ টাকা খরচ হতো, ধর্মঘটের কারণে তার খরচ হয়েছে ২৬০ টাকা। সঙ্গে ভোগান্তি তো আছেই।
রোববার (৭ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে ক্ষোভ প্রকাশ করে এভাবে নিজের প্রতিক্রিয়া জানান মিজানুর রহমান।
মো. মিজানুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, আমার বাসা মিরপুর পল্লবীতে। নিয়মিত কারওয়ান বাজার এসে অফিস করি। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় আজ সকাল সকাল বের হয়েছি। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পরও কোনো বাস পাইনি। তাই বাধ্য হয়েই মোটরসাইকেলে করে আসতে হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘মোটরসাইকেলে প্রথমে ২০০ টাকা দিয়ে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল পর্যন্ত এসেছি। সেখান থেকে তিনজন মিলে একটি রিকশা নিয়েছি। খামার বাড়ির এখানে এসে ৬০ টাকা করে ভাড়া দিলাম। এটুকু পথ আসতে আমার ২৬০ টাকা নাই।’
তিনি আরও বলেন, খামারবাড়ি থেকে হেঁটে ফার্মগেট আসলাম। এখান থেকে অফিসের কাজে আগে যাবো কাকরাইল। তারপর আসবো কারওয়ান বাজার অফিসে। এখানে বিআরটিসির কোনো বাসে ওঠার মতো অবস্থা নাই। আরও কত টাকা লাগে কে জানে। কখন কাজ শেষ করবো আর কখন অফিসে যাবো।’
এসময় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাস বন্ধ রেখে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ানো হয়েছে। আমি চাই, এটার তাড়াতাড়ি সমাধান হোক।
গত শুক্রবার থেকে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে গণপরিবহন ও পণ্যবাহী যানবাহন বন্ধ রেখেছেন পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা। এতে সাধারণ মানুষকে যাতায়াত করতে হচ্ছে রিকশা, মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকারসহ অন্যান্য পরিবহনে। এসব পরিবহনে গুণতে হচ্ছে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া।
আরএসএম/ইএ/এমএস
